গণপূর্তে বদলি বাণিজ্য, ১০ মাসে ৬ বার বদলি

Spread the love

ঢাকা: গণপূর্ত অধিদফতর দুর্নীতি-অনিয়মের জন্য খবরের শিরোনাম হয়েছে বহুবার। এ দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি নিয়েও অনিয়মের খবরের শেষ নেই। কেউ ক্ষমতা বলে একই জায়গায় থাকছেন বছরের পর বছর, কেউ আবার বদলি হচ্ছেন প্রতি মাসেই।

গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী গোলাম বাকী ইবনে হাফিজ তেমনই কর্মকর্তা, যিনি বদলি নামের গ্যাঁড়াকলে পড়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলছেন অনবরত। গত ১০ মাসে এই প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে ৬ বার। হাফিজের মত আরও অনেকেই এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, গত ৫ জানুয়ারি গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী গোলাম বাকী ইবনে হাফিজকে ঢাকা গণপূর্ত উপবিভাগ-৫ থেকে খুলনা গণপূর্ত উপবিভাগ-৩ এ বদলি করা হয়। এর মাত্র ৭ দিনের মাথায় ১২ জানুয়ারি খুলনা থেকে ঢাকা-৪ এ বদলি করে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ২ মার্চ আরেক আদেশে ঢাকা-৪ এ রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়। গত ৩১ আগস্ট এক আদেশে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪ রিজার্ভ থেকে নোয়াখালী গণপূর্ত উপবিভাগ-১ এ বদলি করা হয়। গত ৫ অক্টোবর নোয়াখালী থেকে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪ এ সংযুক্ত করা হয় এবং একই দিন বান্দরবানের লামা গণপূর্ত উপবিভাগে বদলি করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪ থেকে গোলাম বাকী ইবনে হাফিজ পদোন্নতি পেয়ে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে ঢাকা গণপূর্ত উপবিভাগ-৫ এ আসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রকৌশলী জানান, গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বদলি বাণিজ্যের অংশ হিসেবে তাদের এরকম বদলি করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, তার সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) নন্দিতা রাণী সাহা এবং উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কল্যাণ কুমার কুণ্ডু মিলে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বদলি হওয়া প্রকৌশলীদের অধিদফতর থেকে বিভিন্ন কার্যালয়ে বদলি করে অন্য প্রকৌশলীদের এখানে বসিয়েছেন।

আমাদেরকণ্ঠ/এসআই

Related posts