Amader Kantho- Bangla Online News Portal and Bangladeshi online news source for Game, Binodon, politics, national, international, lifestyle, sports, and many more factors.

ঢাকা, শনিবার, ১ আষাঢ় ১৪৩১, ১৫ জুন, ২০২৪

Facebook Facebook Facebook Facebook

পদোন্নতি না নিতে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষকের আবেদন

আমাদের কণ্ঠ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩, ০৮:৫৯
শিক্ষকের আবেদন

দেড় দশক পর পদোন্নতিজট খুলেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব পাচ্ছেন। গত দুই মাসে তিন জেলায় পদোন্নতি পেয়েছেন পৌনে পাঁচশো শিক্ষক। শূন্য রয়েছে আরও প্রায় ২৯ হাজারের মতো পদ। নির্বাচনের আগেই প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদগুলো পূরণ করতে চায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু যোগ্য বহু শিক্ষক পদোন্নতি নিতে চাইছেন না। শেষ বয়সে প্রধান শিক্ষক হওয়াটা তাদের কাছে এখন ‘উটকো’ ঝামেলার। পদোন্নতিটাও ‘তেতো’। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে। উপজেলা পর্যায় থেকে পদোন্নতিযোগ্য শিক্ষকদের তালিকাও (গ্রেডেশন) করা হয়েছে। যারা তালিকার ওপরের সারিতে রয়েছেন, তাদের অধিকাংশই পদোন্নতি নিতে চাইছেন না। এতে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে এটা সাময়িক বিপত্তি, দ্রুত তা কেটে যাবে।‘পদোন্নতি নিলেও তো কোনো লাভ নেই। বরং দায়িত্বের বোঝা কাঁধে চাপবে। স্কুলে নানা আয়োজন করতে হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া, সেখানে লোকজন নিয়ে যাওয়া, স্কুল সংস্কার কাজে লোক ডাকাডাকি করতে হয়। তার সঙ্গে রেজিস্টার মেন্টেইন তো আছেই। শেষ বয়সে আর প্রধান শিক্ষক হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

অন্যদিকে পদোন্নতি নিতে না চাওয়া শিক্ষকরা বলছেন, তাদের চাকরির বয়স শেষ পর্যায়ে। বয়স ও শারীরিক দিক বিবেচনায় পদোন্নতি নেওয়ার আগ্রহ নেই। কারণ প্রধান শিক্ষকের অনেক চাপ। দৈনিক ৫০-৬০টি রেজিস্টার মেইনটেইন করতে হয়। থাকে জবাবদিহি, ছোটাছুটিও করতে হয় অনেক। আবার পদোন্নতি পেলে এখন যে বেতন-ভাতা তারা পাচ্ছেন, তার চেয়ে খুব বেশি টাকা বাড়বেও না। তাই চাকরির শেষ বয়সে এসে প্রধান শিক্ষক পদটি তাদের কাছে এখন ‘উটকো’ ঝামেলার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৬ হাজার ৬২০টি। এর মধ্যে ২৯ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে নিচ্ছেন সহকারী শিক্ষকরা। ২০০৯ সালে মামলার কারণে পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৪ সালে মামলা নিষ্পত্তি হয়। একই বছর প্রধান শিক্ষকের পদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। নিয়োগ ও পদোন্নতি পিএসসির অধীনে চলে যায়। আবারও বন্ধ হয়ে যায় পদোন্নতির মাধ্যমে শূন্যপদ পূরণ। গত ৩ আগস্ট পদোন্নতির দুয়ার খোলে।

বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জিয়াউল হক
চেয়ারম্যান: মিসেস নাজমা হক
ঠিকানা: শাঁহ আলী টাওয়ার (৩য় তলা)
৩৩, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ ।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ।
©২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । আমাদেরকণ্ঠ২৪ ডট কম, জিয়া গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ।
কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন নাম্বার CRW-24516